ঢাকা থেকে বঙ্গবন্ধুসেতু হয়ে উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের সাথে রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। web 2.0 backlinks
রোববার ভোরে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার পৌলীতে ঝিনাই নদীর উপর রেলসেতুর এপ্রোচ অংশের মাটি সরে যাওয়ায় কর্তৃপক্ষ রেল চলাচল বন্ধ করে দেয়। পানির তীব্রতায় রেল লাইনের মাটি ধসে পড়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে। রোববার দুপুরে রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এসে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রেল চলাচল স্বাভাবিক করার ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ঈদে ঘরমুখো মানুষের বাড়িফেরা নিরাপদ করতে যা করণীয় রেল বিভাগ তাই করতে প্রস্তুত রয়েছে। ইতিমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে সংস্কার কাজ শুরু হয়েছে। প্রয়োজনীয় লোকবল ও সরঞ্জামাদি আনা হয়েছে। যথা সময়েই রেল চলাচল করার জন্য লাইনটি চালু করা হবে।
এসময় মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি ঢাকা-টাঙ্গাইল রুটে একটি কম্পিউটার ট্রেন দেওয়ারও আশ্বাস দেন। এর জন্য সংশ্লিষ্ট রেল বিভাগকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দেন তিনি।
এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, যদি কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে নদী থেকে বালু উত্তোলন করে এবং এর জন্য যদি রেল লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকে তাহলে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এসময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন, রেল বিভাগের সচিব, ডিজি, টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক খান মো. নুরুল আমিন, পুলিশ সুপার মাহবুব আলম, এলেঙ্গা পৌরসভার মেয়র শাফি খানসহ সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিবৃন্দ।
টাঙ্গাইলের ঘারিন্দা রেল স্টেশন মাষ্টার মো. জালাল উদ্দিন জানান, সকাল সাড়ে ৫টার দিকে খুলনা থেকে ঢাকাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনটি ঝিনাই নদীর উপর অবস্থিত কালিহাতি উপজেলার পৌলী রেল ব্রিজ অতিক্রম করার পর পরই ব্রিজের ৩০ ফুট এলাকা জুড়ে এপ্রোচ অংশ ধসে পরে। বন্যার পানিতে মাটি নরম হয়ে যাওয়ায় এই ঘটনা ঘটেছে। এতে রেল লাইনের নিরাপত্তা জনিত কারণে ঢাকার সাথে উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণাঞ্চলের ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ঘটনাস্থলে নীলফামারী থেকে ঢাকাগামী নীল সাগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি আটকা পরেছে। এছাড়া বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব স্টেশনে ঢাকাগামী রংপুর এক্সপ্রেস, বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম স্টেশনে দিনাজপুর থেকে ঢাকাগামী একতা এক্সপ্রেস এবং ঢাক থেকে রাজশাহীগামী ধূমকেতু এক্সপ্রেস ট্রেন জয়দেবপুর রেলস্টেশনে আটকা পড়ে আছে। সেতুর রেললাইন মেরামতের জন্য পাকশী ও ঢাকা থেকে রেলওয়ের প্রকৌশল বিভাগের কর্মীরা এসে কাজ করছেন।
রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার রমজান আলী জানান, অতি গুরুত্বপূর্ণ এই রেলপথ দিয়ে দেশের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের রেল চলাচল করে। দ্রুততার সাথে রেল চলাচল স্বাভাবিক করতে আমরা রাত-দিন কাজ করছি। ঘটনাস্থলে নীল সাগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি আটকা পড়েছে। এছাড়াও বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম স্টেশন, পূর্ব স্টেশন ও জয়দেবপুর স্টেশনে কয়েকটি ট্রেন আটকা পড়ে আছে।
রোববার ভোরে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার পৌলীতে ঝিনাই নদীর উপর রেলসেতুর এপ্রোচ অংশের মাটি সরে যাওয়ায় কর্তৃপক্ষ রেল চলাচল বন্ধ করে দেয়। পানির তীব্রতায় রেল লাইনের মাটি ধসে পড়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে। রোববার দুপুরে রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এসে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রেল চলাচল স্বাভাবিক করার ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ঈদে ঘরমুখো মানুষের বাড়িফেরা নিরাপদ করতে যা করণীয় রেল বিভাগ তাই করতে প্রস্তুত রয়েছে। ইতিমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে সংস্কার কাজ শুরু হয়েছে। প্রয়োজনীয় লোকবল ও সরঞ্জামাদি আনা হয়েছে। যথা সময়েই রেল চলাচল করার জন্য লাইনটি চালু করা হবে।
এসময় মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি ঢাকা-টাঙ্গাইল রুটে একটি কম্পিউটার ট্রেন দেওয়ারও আশ্বাস দেন। এর জন্য সংশ্লিষ্ট রেল বিভাগকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দেন তিনি।
এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, যদি কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে নদী থেকে বালু উত্তোলন করে এবং এর জন্য যদি রেল লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকে তাহলে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এসময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন, রেল বিভাগের সচিব, ডিজি, টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক খান মো. নুরুল আমিন, পুলিশ সুপার মাহবুব আলম, এলেঙ্গা পৌরসভার মেয়র শাফি খানসহ সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিবৃন্দ।
টাঙ্গাইলের ঘারিন্দা রেল স্টেশন মাষ্টার মো. জালাল উদ্দিন জানান, সকাল সাড়ে ৫টার দিকে খুলনা থেকে ঢাকাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনটি ঝিনাই নদীর উপর অবস্থিত কালিহাতি উপজেলার পৌলী রেল ব্রিজ অতিক্রম করার পর পরই ব্রিজের ৩০ ফুট এলাকা জুড়ে এপ্রোচ অংশ ধসে পরে। বন্যার পানিতে মাটি নরম হয়ে যাওয়ায় এই ঘটনা ঘটেছে। এতে রেল লাইনের নিরাপত্তা জনিত কারণে ঢাকার সাথে উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণাঞ্চলের ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ঘটনাস্থলে নীলফামারী থেকে ঢাকাগামী নীল সাগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি আটকা পরেছে। এছাড়া বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব স্টেশনে ঢাকাগামী রংপুর এক্সপ্রেস, বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম স্টেশনে দিনাজপুর থেকে ঢাকাগামী একতা এক্সপ্রেস এবং ঢাক থেকে রাজশাহীগামী ধূমকেতু এক্সপ্রেস ট্রেন জয়দেবপুর রেলস্টেশনে আটকা পড়ে আছে। সেতুর রেললাইন মেরামতের জন্য পাকশী ও ঢাকা থেকে রেলওয়ের প্রকৌশল বিভাগের কর্মীরা এসে কাজ করছেন।
রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার রমজান আলী জানান, অতি গুরুত্বপূর্ণ এই রেলপথ দিয়ে দেশের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের রেল চলাচল করে। দ্রুততার সাথে রেল চলাচল স্বাভাবিক করতে আমরা রাত-দিন কাজ করছি। ঘটনাস্থলে নীল সাগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি আটকা পড়েছে। এছাড়াও বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম স্টেশন, পূর্ব স্টেশন ও জয়দেবপুর স্টেশনে কয়েকটি ট্রেন আটকা পড়ে আছে।

ConversionConversion EmoticonEmoticon